করোনাভাইরাস সংক্রান্ত ভুল তথ্য



ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন এর মতে নিচের তথ্যগুলো ভুল অথবা দাবিগুলোর সপক্ষে যথেষ্ট তথ্য নেই।


  1. COVID-19 ভাইরাসটি গরম এবং আর্দ্র আবহাওয়াযুক্ত অঞ্চলে সংক্রমণ হতে পারে না।
  2. শীতল আবহাওয়া এবং তুষার নতুন করোনভাইরাসকে হত্যা করতে পারে।
  3. গরম স্নান করা নতুন করোনভাইরাস রোগ প্রতিরোধ করে।
  4. নতুন করোনাভাইরাস মশার কামড়ের মাধ্যমে সংক্রমণিত হতে পারে।
  5. নতুন করোন ভাইরাস হত্যার জন্য হ্যান্ড ড্রায়ার কার্যকর।
  6. নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনগুলি আপনাকে নতুন করোনভাইরাস থেকে রক্ষা করে।
  7. রসুন খাওয়া নতুন করোনভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  8. নতুন করোনাভাইরাস দ্বারা শুধু প্রবীণ আর শিশুরা সংক্রমিত হচ্ছে। (এই ভাইরাস দ্বারা সব বয়সের মানুষ সংক্রমিত হতে পারে। শিশু এবং প্রবীণ ব্যাক্তিদের বিপদ অন্যদের তুলনায় বেশি )
  9. থার্মাল স্ক্যানার দ্বারা করোনা আক্রান্তদের চিহ্নিত করা সম্ভব। (থার্মাল স্ক্যানার শুধুমাত্র জ্বরাক্রান্ত ব্যাক্তিদের চিহ্নিত করতে পারে। করোনা আক্রান্ত কিন্তু লক্ষণ এখনো প্রকাশ পায়নি তাদের কে চিহ্নিত করতে পারেনা। )
  10. নতুন করোনা ভাইরাস এর জন্য নির্দিষ্ট ঔষধ আছে। ( করোনা ভাইরাস এর চিকিৎসা লক্ষণ ভিত্তিক)

E-Passport now available in Bangladesh

ই-পাসপোর্ট(e-passport) একটি বায়োমেট্রিক পার্সপোর্ট। এই পাসপোর্টে পাসপোর্টধারীর ছবি,দশ আংগুলের ফিংগারপ্রিন্ট ও চোখের কর্ণিয়া থাকবে। ই-পাসপোর্ট চালুর ক্ষেত্রে বিশে^ বাংলাদেশ ১১৯ তম। এই ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ৫ ও ১০ বছর। পাতা থাকবে ৪৮ ও ৬৪ টি। স্মাটকার্ড প্রযুক্তি ব্যবহার করে ই-পাসপোর্ট তৈরী করা হঢেছে। এতে আছে মাইক্রোপ্রসেসর চিপ ও আন্টেনা। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ডেটা পেইজ এবং চিপে সংরক্ষিত থাকে। 




পৃষ্ঠা                           মেয়াদ                           প্রদান                                                            ফি

৪৮                               ৫ বছর              ১৫ দিনের মধ্যে (সাধারণ)                           ৩,৫০০ টাকা
                                                            ৭ দিনের মধ্যে  (জরুরী)                                 ৫,৫০০ টাকা
                                                            ২ দিনের মধ্যে  (অতি জরুরী)                        ৭,৫০০ টাকা

                                  ১০ বছর               ১৫ দিনের মধ্যে  (সাধারণ)                             ৫০০০ টাকা
                                                           ৭ দিনের মধ্যে    (জরুরী)                                ৭০০০ টাকা
                                                           ২ দিনের মধ্যে    ( অতি জরুরী)                       ৯০০০ টাকা


৬৪                               ৫ বছর                ১৫ দিনের মধ্যে  (সাধারণ)                        ৫,৫০০ টাকা
                                                            ৭ দিনের মধ্যে  (জরুরী)                              ৭,৫০০ টাকা
                                                            ২ দিনের মধ্যে  ( অতি জরুরী)                    ১০,৫০০ টাকা

                                  ১০ বছর               ১৫ দিনের মধ্যে  (সাধারণ)                          ৭০০০ টাকা
                                                              ৭ দিনের মধ্যে    (জরুরী)                               ৯০০০ টাকা
                                                               ২ দিনের মধ্যে   ( অতি জরুরী)                      ১২০০০ টাকা

               
ই-পাসপোর্টের আবেদন অনলাইনে করা যাবে তাছাড়া  পিডিএফ ফরম ডাউনলোড করেও পূরণ করা যাবে। কোন ছবি ও কাগজপত্র সত্যায়ন করতে হবে না।


Jokes of Mollah Nasiruddin Hojja in Bangla


 মোল্লা নাসিরউদ্দিন হোজ্জা

সাদা চুল

মোল্লার যখন বয়স ছয় কি সাত,তখন নিজের কালো চুল দেখিয়ে আগ্রহে বাবাকে প্রশ্ন করেছিল,
‘ বাবা,তোমার মাথার চুল সাদা অথচ আমার মাথার চুল কালো। কারণটা কি?’

‘শোন, ছোটরা তাদের বাবাদের এই সব আজগুবি প্রশ্ন করে, আর এই সব প্রশ্নের উওর দিতে দিতে মাথার চুল সাদা হয়ে যায়’।

‘ও তাই বলো’, মোল্লা বলেন,-‘তাই তোমার বাবার চুলও ধবধবে সাদা।-তাই না?’



গা চাটাচাটি

মোল্লা দরবারে সকাল সকাল এলো। বাদশাহ বেজায় খুশি। ‘ও মোল্লা, মনে মনে তোমাকেই খুঁজছিলাম আমি। কাল রাতে একটা মজার স্বপ্ন দেখলাম তোমাকে নিয়ে। তুমি আর আমি বাগানে পাশাপাশি হাঁটছি। আমার চিড়িয়াখানা থেকে একটা বাঘ ডেকে উঠলো। দুজনেই চমকে উঠলাম,আমি পড়ে গেলাম ক্ষিরের পুকুরে আর তুমি পড়ে গেলে গুয়ের পুকুরে। তারপরেই ঘুম ভেঙে গেল’।

গল্পটা শুনে দরবারের সবাই মুখ টিপে হাসতে লাগলো। বাদশাহ বেশ জব্দ করেছে মোল্লাকে।

মোল্লা ঘাবড়ে যাওয়ার পাত্র নয়। মোল্লা বললেন,‘হুজুর, কি  অদ্ভুত ব্যাপার বলুন দেখি, আমিও তো কাল রাতে ঠিক এরকম একটি স্বপ্ন দেখলাম। তবে আপনার ঘুমটা ভেঙে যাওয়ার পরেও আমি স্বপ্ন দেখতে থাকলাম’।

‘তাই নাকি? তাহলে তুমি গুয়েরর পুকুরে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছিলে?’

‘নিশ্চয়ই জাঁহাপনা, মোল্লা বলে চলেন,‘এখন শুনুন, আমি কোনমতে গুময় দেহ নিয়ে পাড়ে উঠলাম। এমন সময় দেখি, হুজুর ক্ষিরের পুকুরে পড়ে সাঁতার না জানার ফলে হাবুডুবু খেতে খেতে বহু কষ্টে পাড়ে উঠেছেন। অধিক পরিশ্রমে আপনার খুব তেষ্টা পেয়েছে। তাই পানির তেষ্টায় আপনি আমার গা চেটে সাফ করলেন আর পরিশ্রমের ফলে আমারও পানির তেষ্টা পেয়েছিল, আমি আপনার গা চাটতে লাগলাম। তারপরই ঘুম ভেঙে গেল।




শোধ

একদিন নাসিরউদ্দিন হোজ্জা একটি মিষ্টির দোকানের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন।
হঠাৎ মিষ্টির দিকে চোখ পড়াতে তার খেতে ইচ্ছে হলেও টাকা না থাকায় শুধু মিষ্টির ঘ্রাণ নিয়ে চলে যাচ্ছিলেন।

কিন্তু দায় সাধল দোকানদার। তিনি মিষ্টির ঘ্রাণ নেওয়াতে হোজ্জার কাছে তার দাম চাইলেন। হোজ্জা পরে দিবেন বলে সেদিনের মত চলে আসলেন।

পরের দিন তিনি কিছু মুদ্রার কয়েন থলেতে নিয়ে তার দোকানে গেলেন এবং ঝাঁকাতে শুরু করলেন।

দোকারদার বললেন দাও আমার টাকা দাও।

হোজ্জা উত্তরে বললেন টাকার ঝনঝনানি শুনতে পাচ্ছেন না? দোকারনদার বললেন হ্যাঁ শুনতে পাচ্ছি। হোজ্জা বললেন তো শোধ হয়ে গেল।


বেড়ালটা গেল কোথায়?

মোল্লা নাসিরউদ্দিন একবার বাজার থেকে খাসির গোশত কিনে আনলেন। স্ত্রীর হাতে দিয়ে বললেন,”অনেকদিন গোশত খাইনি। ভালো করে রাঁধো যেন খেয়ে মজা পাই।”

মোল্লা’র স্ত্রীও অনেকদিন গোশত খায়নি। তাই রান্নার পর একটু একটু করে খেতে খেতে সবটা গোশতই খেয়ে ফেলল। 

মোল্লা খেতে বসলে তাঁর স্ত্রী মুখ কাঁচুমাচু করে বললেন, “আজ আর তোমার বরাতে গোশত নাই, সব গোশত বিড়ালে খেয়ে ফেলেছে।”

নাসিরউদ্দিন অবাক হয়ে বলল: পুরো এক সের গোশতই বিড়াল খেয়ে ফেলল?’

জি বলল: তাহলে আমি বলছি কি!

স্ত্রীর কথা মোটেই বিশ্বাস করল না মোল্লা। তখনই বিড়ালটাকে দাঁড়িপাল্লায় ওজন করে দেখল ওজন ঠিক এক সের। 

মোল্লা বলল,’এটাই যদি সেই বেড়াল হয়, তাহলে গোশত কোথায়? আর এটা যদি গোশতের ওজন হয় তাহলে বেড়ালটা গেল কোথায়?’

 অভদ্র ও নির্লজ্জ লোক


হোজ্জা তাঁর বন্ধুকে চিঠি লিখছিলেন। একজন উৎসুক প্রতিবেশী চুপিচুপি হোজ্জার পেছনে এসে চিঠিতে কী লেখা হচ্ছে, তা পড়তে থাকে। 

এদিকে হোজ্জার সামনে ছিল একটা আয়না। ওই আয়নাতেই হোজ্জা লোকটাকে দেখতে পেলেন। তিনি পুরো ব্যাপারটা পাত্তা না দিয়ে চিঠি লিখতে লাগলেন: “অনেক কিছুই লেখার ছিল। কিন্তু পারলাম না। ঠিক এই মুহূর্তে একজন অভদ্র ও নির্লজ্জ লোক আমার পেছনে দাঁড়িয়ে চিঠি পড়ছে—” 

লোকটা রেগেমেগে অভিযোগ করল, “হোজ্জা, আপনি এসব কী লিখছেন? আমি কখন আপনার পেছনে দাঁড়িয়ে চিঠি পড়েছি?” 

জবাবে হোজ্জা বললেন, “তুমি যদি আমার পেছনে দাঁড়িয়ে চিঠি না পড়তে, তাহলে জানলে কী করে চিঠিতে আমি কী লিখেছি?”