বাংলাদেশের ভাইরাল ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ: কেন এত আলোচনায় এই সাদা মহিষ? Meet Bangladesh's Famous 'Donald Trump' Buffalo: Why the Rare Albino Buffalo Went Viral

বাংলাদেশে সম্প্রতি একটি বিরল সাদা বা অ্যালবিনো মহিষ (Rare Albino Buffalo) বেশ আলোচনায় এসেছে, যার নাম রাখা হয়েছে Donald Trump। নামটি দেওয়া হয়েছে তার কপালের সামনে থাকা সোনালি-হলদে চুলের ঝুঁটির কারণে, যা অনেকের কাছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর চুলের স্টাইলের মতো মনে হয়েছে।

Bangladesh's Famous 'Donald Trump' Buffalo

মহিষটি প্রায় ৭০০ কেজি ওজনের এবং বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ এলাকার একটি খামারে লালন-পালন করা হচ্ছিল। ঈদুল আজহার আগে এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় এবং অনেক মানুষ শুধু মহিষটিকে দেখতে ও ছবি তুলতে খামারে ভিড় জমায়।

প্রথমে মহিষটিকে কোরবানির জন্য বিক্রি করা হয়েছিল। কিন্তু ব্যাপক জনআগ্রহ ও নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশ সরকার শেষ মুহূর্তে হস্তক্ষেপ করে। পরে ক্রেতাকে টাকা ফেরত দেওয়া হয় এবং মহিষটিকে ঢাকার জাতীয় চিড়িয়াখানায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

খামারের মালিক জানান, অ্যালবিনো মহিষ খুবই বিরল এবং এদের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়। ভাইরাল (Bangladesh Viral Animal) হওয়ার পর "ডোনাল্ড ট্রাম্প" নামের এই মহিষটি দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে প্রচার পায়। 

কেন এত বিশেষ?

  • এটি একটি অ্যালবিনো (Albino) মহিষ, অর্থাৎ শরীরে রঙ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় মেলানিন খুব কম। তাই এর গায়ের রং সাদা-ক্রিম এবং নাক ও চোখের চারপাশে হালকা গোলাপি আভা দেখা যায়।
  • বাংলাদেশে অ্যালবিনো মহিষ অত্যন্ত বিরল। সাধারণত মহিষের রং কালচে বা গাঢ় হয়।

নাম "Donald Trump" কেন?

  • খামার মালিক জিয়াউদ্দিন মৃধার ছোট ভাই প্রথম এই নাম দেন।
  • মহিষটির কপালের সামনে ঝুলে থাকা সোনালি-হলুদ চুল অনেকের কাছে Donald Trump–এর বিখ্যাত হেয়ারস্টাইলের মতো মনে হয়েছে।

আকার ও বয়স

  • ওজন প্রায় ৭০০ কেজি (১,৫০০ পাউন্ডের বেশি)
  • বয়স প্রায় ৪ বছর

বিশেষ যত্ন

মালিকের মতে:

  • দিনে ৪ বার গোসল করানো হতো
  • দিনে ৪ বার খাবার দেওয়া হতো
  • অ্যালবিনো প্রাণী হওয়ায় রোদ ও তাপের ব্যাপারে বেশি সতর্ক থাকতে হয়।

ভাইরাল হওয়ার পর কী ঘটেছিল?

  • ঈদুল আজহার আগে হাজার হাজার মানুষ মহিষটিকে দেখতে খামারে ভিড় করেছিল।
  • অনেক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ভিডিও বানিয়েছে, সেলফি তুলেছে।
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও খবর হয়।

শেষ পর্যন্ত কী হলো?

  • মহিষটি কোরবানির জন্য বিক্রি হয়ে গিয়েছিল।
  • পরে জনসমাগম ও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে সরকার হস্তক্ষেপ করে।
  • ক্রেতাকে টাকা ফেরত দেওয়া হয়।
  • মহিষটিকে ঢাকার Bangladesh National Zoo-এ স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যাতে এটি সংরক্ষণ করা যায় এবং মানুষ দেখতে পারে।

মজার তথ্য

অনেক বিদেশি সংবাদমাধ্যম শিরোনাম করেছিল যে "Trump-এর মতো চুল" শেষ পর্যন্ত এই মহিষটির জীবন বাঁচিয়ে দিয়েছে। কারণ সাধারণ একটি কোরবানির পশু থেকে এটি কয়েক দিনের মধ্যেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আকর্ষণে পরিণত হয়েছিল।


আমার বই সংগ্রহ -My book collection

 সেই ছোট বেলা থেকে আমার বই পড়ার অভ্যাস। জন্মের পর থেকেই বাসায় দেখেছি বই আর বই ! যখন ক্লাস  এইটে পড়ি,তখন প্রতিদিন বিকালে নীলক্ষেতে যাওয়া ছিল আমার অভ্যেস। পুরানো-নতুন  বই ছিলো আমার চোখে মনি-মুক্তা। প্রতিদিন কিছু না কিছু বই কিনতাম ।  কিছু পড়তাম, কিছু পড়তাম না। সাজিয়ে রাখতাম সেল্ফ-এ ।  আজ আমার সংগ্রহে আছে  প্রচুর বই।  এখানে বইগুলোর একটি তালিকা দিলাম। তালিকাটি  আপডেট করা হবে নিয়মিত। 

 

১.ক্রাভেন ম্যানর-ডার্সি কোটস( Craven Manor by Darchy Coates)-ভাষান্তর-অসীমা দত্ত-অনিন্দ্য প্রকাশ 

২.আত্তরঙজেব: বির্তকের অন্তরালে (Aurangzeb:The Man and the Myth: Audrey Truschke) অড্রি ট্রসকে -প্রজন্ম পাবলিকেশন।

৩.আসমান-লতিফুল ইসলাম শিবলী-নালন্দা 

৪.ইতিহাসের স্বপ্নভংগ-সুনীল গঙোপাধ্যায়

৫.কয়েদী ৩৪৫-সামি আলহায-প্রজন্ম

৬.মানুষকে মোটিভেট করার ১০০ উপায়- স্টিভ চ্যান্ডলার ও  স্কট রিচার্ডসন-কেন্দ্রবিন্দু

৭.তোপসের নোটবুক-কৌশিক মজুমদার-বুক ফার্ম

৮.আদর্শ হিন্দু-হোটেল-বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়-দে’জ পাবলিশিং

৯.বুদ্ধদেব বসুর প্রবন্ধসমগ্র ১: পশ্চিমবংগ বাংলা একাদেমি

১০.জিন-এম.জে.বাবু-গ্রন্হরাজ 

১১.সবার জন্য আইন-এ কে আজাদ উজ্জ্বল-অবসর

১২.অনলাইনে ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন-আমান উল্লাহ সরকার-কে এম টিপু সুলতান-কলি প্রকাশনী

১৩.যবনিকা-নাজিম উদ দৌলা-প্রিমিয়াম পাবলিকেশন্স

১৪.ছাদে বাগান-মৃত্যুন্জয় রায়-প্রান্ত প্রকাশন

১৫.কিছু বিশ্বাসের বাহ্যিক পুনর্বিবেচনা-আহমদ শরীফ-আগামী প্রকাশনী

১৬.অপরাধ বিজ্ঞান-প্রবীর ঘোষ-দে’জ পাবলিশিং

১৭.হরিশংকর ২৫-হরিশংকর জলদাস- জ্ঞানকোষ প্রকাশনী

১৮. দলিল যার জমি তার     কে.এম.টিপু সুলতান-মোক্তাদির হোসেন-খাইরুল কবির-কলি প্রকাশনী

১৯. কুহেলিকা-নাজিম উদ দৌলা-প্রিম্রিয়াম পাবলিকেশন্স 

২০. দারোগার দপ্তর-শ্রীপ্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়-সম্পাদনা:অরুণ মুখোপাধ্যায়-পুনশ্চ 

২১. আমি সিরাজের বেগম-শ্রী পারাবাত-আকাশ

২২. রহস্যে ঘেরা ইনকা সভ্যতা-এনায়েত রসুল-আকাশ 

২৩. ব্ল্যাক লিস্ট- কাজী মায়মুর হোসেন-সেবা প্রকাশনী

২৪. অগ্নিনিরয়-কৌশিক মজুমদার-বুক ফার্ম

২৫, নীবারসপ্তক-কৌশিক মজুমদার-বুক ফার্ম

২৬. সূর্যতামসী-কৌশিক মজুমদার-বুক ফার্ম  

২৭.দ্য হলোকাস্ট ইন্ডাস্ট্রি-নরম্যান ফিন্কেলস্টাইন-রাগিব হাসান ফাহিম-ফাউন্টেন পাবলিকেশন 

২৮. মিল্টন রচনাবলী-আতিকা ফাইরুজ-এশী পাবলিকেশন

২৯. স্মৃতিকথায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-মুহাম্মদ জাহাংগীর-মাওলা ব্রাদার্স

৩০. রক্তাক্ত দিনগুলো ১৯৭৫-৮১- এম সাখাওয়াত হোসেন-প্রথমা 

৩১. প্রিজনারস অভ জিয়োগ্রাফি-টিম মার্শাল-সূর্যোদয়

৩২. রহস্যে ঘেরা মায়া সভ্যতা-এনায়েত রসুল-আকাশ 

৩৩.রহস্যে ঘেরা মহেন্জোদারো- এনায়েত রসুল-আকাশ

৩৪. চম্পা হাউজ-নাজিম উদ দৌলা-প্রিমিয়াম পাবলিকেশন্স

৩৫.কলকাতার রাত্রি রহস্য-হেমেন্দ্রকুমার রায়-বুক ফার্ম 

 

 

 

 

 

 

 

বনলতা এক্সপ্রেস-Bonolota Express-The poetric Journey -The review

নলতা এক্সপ্রেস (Bonolota Express) দেখলাম। হুমায়ুন আহমেদ এর 'কিছুক্ষন' উপন্যাস অবলম্বনে এই মুভিটা তৈরী। এক কথায় অসাধারণ।
 
হল ভর্তি দর্শক। মাঝে মাঝে হাসির রোল। দর্শকরা যেনো ভ্রমণ করছে রাতের ট্রেনে।মিশে গেছে যাত্রীদের দুঃখ -বেদনা, হাসি কান্না, প্রেম,বিচ্ছেদ, মান অভিমান, ঝগড়া আপোষে। ট্রেনে একটি শিশুর জন্ম, সব যাত্রীদের এক মানবিকতার ছাতার তলায় নিয়ে আসে। দর্শক ডুবে থাকে প্রিয় অভিনেতা -অভিনেত্রীদের নিখাদ অভিনয় জাদুতে। আমার প্ৰিয় অভিনেতা মোশারফ করিম এর অভিনয় আমাকে আবারো বিমোহিত করলো। 

Bonolota Express: A Bangla Movie Short Review
অভিনেতা মোশারফ করিম ভাইয়ের সাথে আমার দেখা হয়েছিল ২০১২ সালে এক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে। হোটেল সোনারগাঁয়ে। উনার হাত থেকে আমি পুরস্কার গ্রহণ করেছিলাম। সত্যিই mydear লোক!
 
অন্যান্য অভিনেতা অভিনেত্রীরা তাঁদের সর্বোচ্চ ঢেলে দিয়েছেন। বিশেষ করে চঞ্চল চৌধুরী, শ্যামল মওলা, ইফতেখাব দিনার,বাঁধন, সাবিলা নূর -এর অভিনয় মনে রাখার মতো। তবে শরিফুল রাজ জাত অভিনেতা। ক্লিন-সেভড মুখটা তেমন ভালো লাগে নাই। শামীমা নাজনীন - উনার অভিনয় এই ছবিকে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছে। পকেটমারের চরিত্র বেশ হাস্যরস তৈরী করেছে দর্শকদের মাঝে।
 
সিনেমাটোগ্রাফি চমৎকার। ৮০% ট্রেনের ভিতর ধারণ কৃত। বাকি টুকু flashback। শুধু ফ্রেম টু ফ্রেম tansition আমার কাছে একটু বোরিং লেগেছে। Transition আরেকটু স্লো বা fade-out হলে ভালো লাগতো। যাই হউক, পরিচালক যেটা ভালো মনে করেছেন, সেটাই ব্যবহার করেছেন। ওয়াইড এঙ্গেল লেন্সের ব্যবহার চমৎকার। ক্লোজ আপ বেশি হওয়ার জন্য কিছু ফেইস একটু distorted মনে হয়েছে আমার কাছে ( ব্যক্তিগত মতামত )। আইয়ুব বাচ্চুর গান ' আর বেশি জ্বালালে, গান টি দর্শকদের নস্টালজিক করেছে। রবীন্দ্র সংগীত এর প্রয়োগ যথার্থ।
 
ছবি শেষে দর্শকদের হাত তালি এবং চোখে মুখে সন্তূষ্টির ভাব অনেক কম ছবির ভাগ্যে জুটে।
আমার ব্যক্তিগত স্কোর ৮. ৫/১০